বিনা ঔষধে সম্পূর্ণ প্রকৃতিক উপায়ে হাটু ব্যথা বা সন্ধি বাত, আরথারাইটিস থেকে মুক্তি


লক্ষণ  উপসর্গঅস্টেয়োআর্থরিটিস বা গেঁটেবাত:১. অস্থিসংযোগে ব্যথা এবং চলাচলের ফলে ব্যথার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়া২. সকালবেলায় জড়তা বা অসাঢ়তার অনুভব৩. আঙ্গুলের অস্থিসংযোগে মাংসপিণ্ডের বৃদ্ধি পাওয়া বা জন্ম নেয়াপুরোনো ও দীর্ঘস্থায়ী গ্রন্থিবাত বা রামাটয়িড আর্থরিটিস১. অস্থিসংযোগে পীড়া, ফুলে ওঠা এবং লাল হয়ে ওঠা, এবং আক্রান্ত স্থানে স্পর্শ করলে উষäতা অনুভূত হওয়া২. হালকা জ্বর, খাবারের প্রতি অনীহা, ওজন কমে যাওয়া, অসুস্থবোধ হওয়া৩. ত্বকে পিণ্ডের মতো মাংস জমে ওঠা, বিশেষত কুনুইয়ে, আঙ্গুলে কিংবা নিতম্বে৪. মুখ ও চোখ শুষ্ক হয়ে ওঠা৫. সকালবেলায় জড়তা বা অসাঢ়তার অনুভবগেঁটেবাত১. হঠাৎ করে কোন অস্থিসংযোগে তীব্র ব্যথা অনুভূত হওয়া, প্রায়ই কুনুইয়ে, পায়ের বুড়ো আঙ্গুলে কিংবা হাটুতে এই ব্যথা অনুভূত হয়।২. অস্থিসংযোগের চারপাশে ফুলে ওঠা এবং লাল হয়ে ওঠা৩. জর জর ভাব

কী করা উচিত
 * পীড়াদায়ক কিংবা অসাঢ় হাড় এর সংজগ স্থানে গরম বা ঠাণ্ডা কোন কাপড় চেপে ধরে রাখলে ব্যথা কম হবে। * উষন্ন জলে স্নান করুন। * যেসব ক্রিম বা লোশনে ক্যাপাসাইসিন কিংবা সালিসাইলেট রয়েছে সেগুলো আক্রান্ত স্থানে মাখলে ব্যথা কম হবে। * বেশি সময়ের জন্যে কোন বস্তু বা জিনিস পত্র খুব শুক্ত করে মুঠি করে ধরবেন না। *প্রচুর পরিমাণে বিশ্রাম গ্রহণ করুন।
কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
অটেয়োআর্থরিটিস:১. শরীরের স্বাভাবিক ওজন বজায় রাখুন; ফলত: যেসব অস্থিসংযোগগুলো শরীরের ওজন ধারণ করে থাকে, সেগুলোর উপর চাপ কম পড়বে।২. নিয়মিত শরীর চর্চা করুন তবে মাত্রাতিরিক্ত করবেন না, এতে করে আপনার অস্থিএবং পেশি মজবুত ও শক্ত হয়ে উঠবে।৩. পুন:পুন: একইরকম যে কাজগুলো যেমন টাইপ করা, ইত্যাদি পরিহার করে চলুন, কেননা এগুলো অস্থিসংযোগের উপর বেশি চাপ প্রয়োগ করে এবং অতি ব্যবহারের কারণে সেগুলো দুর্বল হয়ে ওঠে।৪. অস্থিসংযোগগুলোকে ভালো অবþহানে(posture) রাখুন; এটা সংযোগগুলোর উপর চাপ কম করে।রামাটয়িড আর্থরিটিস:

গেঁটেবাত:
১. শরীরের স্বাভাবিক ওজন বজায় রাখুন; ফলত: যেসব অস্থিসংযোগগুলো শরীরের ওজন ধারণ করে থাকে, সেগুলোর উপর চাপ কম পড়বে।২. না খেয়ে থাকবেন না, কেননা না খেয়ে থাকলে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়।৩. বেশি পান করবেন না (মদ এবং অন্যান্য পানীয় সামগ্রী)|৪. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।৫. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার পরিত্যাগ করুন, যেমন মাংস, এবং শুকনো শিমের বিচি; এসব খাবারও গেঁটে বাতের জন্যে দায়ী।৬. প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন।   বিনা ঔষধে সম্পূর্ণ প্রকৃতিক উপায়ে হাটু ব্যথা বা সন্ধি বাত, আরথারাইটিস থেকে মুক্তি.

Dr.Sho motegi (japan) visited in our kolkata (panacea)clinic 

বহু বছর এর অভিগ্যতা থেকে ডাঃ লাজপাত রাই মেহেরা নাভির বেস্টনি তে এবং পা এর আগুলে ১৬ টি স্থান চিহ্নিত করেন এবাং উনি দেখেন ওই সমস্ত বিন্দু গুলির উপর নিরদিস্ট চাপ প্রযগ করলে সন্ধি-প্রদাহ নিয়ন্ত্রন করা যায় এবং রুগি মাত্র ১মাস এই কিছু আরাম আনুভব করেন। এই ভাবে উনি শুধু বাত নয় বিভিন্ন জটিল ব্যধির সফলতা পুরবক চিকিতসা সুরু করেন। গত ৫০ বছর এ সারা প্রিথিবী ব্যাপি ৭৫০এর বেশি চিকিতসা কেন্দ্র গরে উঠেছে। কলকাতা তে আমরা গত ১০বছর সাফল্যের সাথে বিভিন্ন জটিল ব্যধির চিকিতসা করছি। বিস্তারিত জানার জন্য করুন login: www.neurotherapykolkata.com 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *